Ethical Hacking Live Course
“ইথিক্যাল”শব্দের অর্থ হচ্ছে “নৈতিক” অর্থাৎ নৈতিক বা বৈধ হ্যাকিং। ইথিক্যাল হ্যাকিং হল বিভিন্ন ওয়েব সার্ভার অথবা ওয়েবসাইটের নিরাপত্তাজনিত ত্রুটিগুলা খুজে বের করা এবং এডমিন কে নোটিশ করা। ইথিক্যাল হ্যাকার কোন সিস্টেম এডমিন বা সফটওয়্যার কোম্পানি থেকে পারমিশন নেওয়ার পরে সেই সিস্টেমের ত্রুটি চেক করে থাকে। যাদের কম্পিউটার প্রোগামিং ল্যাঙ্গুয়েজ কনসেপ্ট জানা আছে এবং কম্পিউটার সফটওয়্যার, নেটওয়াকিং এর উপর ধারণা আছে তারা ইথিক্যাল হ্যাকিং কোর্সে অংশগ্রহন করতে পারবেন।
সবকিছুর ভাল মন্দ ২টা দিকই রয়েছে। যেমন কারো কাছে পিস্তল থাকার মানে এই নয় সে অপরাধী, সে নিজেকে রক্ষা করার জন্যও পিস্তল রাখতে পারে। ঠিক তেমনি আমাদের হ্যাকিং হল ইথিক্যাল হ্যাকিং বা নৈতিক হ্যাকিং। হ্যাকিং দুই প্রকার, হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার বা ইথিক্যাল হ্যাকার এবং ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার বা ম্যালিসিয়াস হ্যাকার। ম্যালিসিয়াস হ্যাকাররা কোন দেশ, কোম্পানি কিংবা প্রতিষ্ঠানের সিস্টেমের রুল এবং সিকিউরিটি ভেঙ্গে ফেলে এবং মূল সিস্টেমের ক্ষতি সাধন করে। এই ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রয়োজন হয় ইথিক্যাল হ্যাকারদের।
সরকারী বেসরকারী ভাবে বাংলাদেশে নিয়োগ চলছে সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞদের। এছাড়াও দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের সাইবার সিকুরিটিতে ইথিক্যাল হ্যাকারদের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। অনলাইন মার্কেট প্লেসেও রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। অনেকেই সাইবার নিরাপত্তার উপর ফ্রিল্যান্সিং করে হয়ে উঠছে স্বাবলম্বী। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে হলে সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের প্রয়োজনীয়তা ও অপরিহার্য। এছাড়াও নিজেকে নিরাপদ রাখা এবং নিজের ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষার জন্যও এই কোর্সটি আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
কাদের জন্য কোর্সটি ?
যারা দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয় কিংবা পুলিশের সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করতে আগ্রহী
ইথিক্যাল হ্যাকিং এ যারা পারদর্শী হতে চান।
যাদের কোডিং এ আগ্রহ রয়েছে।
যারা পড়াশুনার পাশাপাশি পার্টটাইম কিছু করে পড়াশুনা চালিয়ে নিতে চান


No comments